বিজিএমইএ’র প্রথম নারী সভাপতি রুবানা হক

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ’র প্রথম নারী সভাপতি হয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। শনিবার (৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বিজিএমইএ’র নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে রুবানা হকের নেতৃত্বে সম্মিলিত ফোরাম প্যানেল। সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের ২৬ প্রার্থীর মধ্যে ২৬ জনই বিজয়ী হয়েছেন।

এর আগে বিজিএমইএ’র নির্বাচন সামনে রেখে সম্মিলিত পরিষদ এবং ফোরাম সমঝোতার মাধ্যমে যে প্যানেল জমা দেয় তাতে দলনেতা করা হয় ঢাকা উত্তরের প্রয়াত মেয়র বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হককে। ফলে, বিজিএমইএ’তে আগামী দুই বছর নেতৃত্ব দেবেন রুবানা হক।

ফোরাম থেকে ১৯ এবং সম্মিলিত পরিষদ থেকে ১৬ জন দিয়ে সম্মিলিত পরিষদ-ফোরামের সমঝোতার প্যানেল করা হয়।

এদিকে বিজিএমইএ’র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত বছরের জানুয়ারিতে স্বাধীনতা পরিষদ নামে একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে। জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে এই পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যায়।

শনিবার সকাল ৮টায় ঢাকার কারওয়ানবাজারে বিজিএমইএ ভবনের নুরুল কাদের মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত কোনওরকম বিরতি ছাড়াই ভোটগ্রহণ চলে। সংগঠনটির মোট ভোটার এক হাজার ৯৫৬ জন। এর মধ্যে ঢাকায় এক হাজার ৫৯৭ জন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আজকের নির্বাচনে ঢাকায় ভোট দিয়েছেন এক হাজার ২০৪ জন এবং চট্টগ্রামে দিয়েছেন ২৮৮ জন।

নির্বাচনে সম্মিলিত ফোরাম ও স্বাধীনতা পরিষদ নামে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সংগঠনটিতে পরিচালকদের মোট পদ ৩৫টি। এর মধ্যে ঢাকায় ২৬টি ও ৯টি চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচনে ভোট হচ্ছে না। তারা সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকার ২৬ পরিচালক পদে দুই প্যানেলের ৪৪ প্রার্থী লড়ছেন। ২৬ পদে পূর্ণ প্যানেল দিয়েছে সম্মিলিত ফোরাম। এসব পদে স্বাধীনতা পরিষদের প্রার্থী ছিল ১৮ জন।

বিজিএমইএ নতুন কমিটির প্রধান হিসাবে রুবানা হক নতুন এ দায়িত্ব প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার চ্যালেঞ্জটা হবে, কী করে শ্রমিক ও মালিক একসঙ্গে কাজ করবো। অনাস্থার জায়গাগুলো আমরা দূর করবো।’

তিনি বলেন, ‘দেশের পোশাক খাত নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যে ইমেজ সংকট রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে হবে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবো সেটি কাটিয়ে উঠতে। অনেকেই মনে করে, আমরা সবচেয়ে সস্তা। এই সস্তা কোনওভাবেই ভালো না বলে আমি ও আমার পরিষদ মনে করে। আমরা বলতে চাই, প্রতিযোগিতা হলো সবচেয়ে ভালো। যদিও আমরা সম্মিলিতভাবে দরকষাকষির জায়গায় পৌঁছতে পারিনি। সবাই এ বিষয়ে একমত হতে পারিনি। এখনই সময় এসেছে বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে একটা উদ্যোগ নেওয়ার।’

তিনি তৈরি পোশাক খাতের নিরাপত্তা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘আপনারা জানেন শেয়ার বিল্ডিং মোটেও অ্যালাউড না। অথচ বহু চার লাইন, ছয় লাইন ফ্যাক্টরির শেয়ার বিল্ডিং রয়েছে। এখন আমাদের উচিত হবে, অন্তত এসব কারখানায় যেন ফায়ার ও ইলেক্ট্রিক সেফটিটা নিশ্চিত করা যায়। গার্মেন্ট সেক্টরে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে পারলে এবং গণমাধ্যম আমাদের সঙ্গে কাজ করলে এ খাতের হারানো ইমেজ অবশ্যই ফিরে আসবে ইনশাল্লাহ।’

নবনির্বাচিত প্যানেলের সদস্যরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে বেশ ভালোমানের ফ্যাক্টরি রয়েছে। আমরা মনে করি, সেলফ মনিটরিংয়ের এখনই সময়। এটি দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত। দেশের সবচেয়ে বেশি মানুষ এ খাতের সঙ্গে জড়িত। আমরাই মূলত দেশের অর্থনীতির চালিকা হিসাবে কাজ করছি। সুতরাং আমাদের বেশ কিছু দায়িত্ব রয়েছে। আমার কাছে স্বচ্ছতাও থাকবে। প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, আমাদের প্যানেলের কাজের প্রতি নিষ্ঠার একটুও অভাব থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘দায়বদ্ধতার কথা যদি বলেন, আমার পুরো পরিষদ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে। আমার প্রয়াত স্বামী আনিসুল হক দুই বছরে দেখিয়ে গেছেন সবাইকে, কীভাবে পরিবর্তন আনতে হয়। তার মানে বদলানো সম্ভব। আমরাও সেটা পারবো। এজন্য আমাদের দায়বদ্ধতার কোনও প্রকার দ্রুটি দেখবেন না। তারপরও কোনও ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে সেটা ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান থাকলো।’

অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা অনেক করেছেন আমাদের জন্য। এজন্য আমরা খুবই কৃতজ্ঞ। কিন্তু এমন একটি সময়ে আমরা দাঁড়িয়েছি যেখানে সব গার্মেন্ট পুনঃসংস্কার হয়েছে। এখন এসব কারখানার সংস্কার কীভাবে টেকসই করা যায়, সেগুলো দেখতে হবে।

‘আমরা মোটামুটিভাবে দরকষাকষি করতে শিখেছি, একটা গৌরবের জায়গায় দাঁড়াতে শিখেছি। আমরা যদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি, সবাই একসঙ্গে কাজ করি তাহলে ঘুরে দাঁড়াবেই এ শিল্প। যত চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন। কারণ চ্যালেঞ্জ যেমন আছে ঠিক একইভাবে সম্ভাবনাও আছে। সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করি, দুই বছরে আমরা বহু কিছু পাল্টে দিতে পারবো।’

Source: banglatribune.com Link to the Original Article

বিজিএমই নির্বাচনে রুবানা হক পূর্ণ প্যানেলে জয়ী

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচনে সম্মিলিত-ফোরাম পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে। প্যানেলটির নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। তিনি পরলোকগত ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আনিসুল হকের সহধর্মিণী।

শনিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারের বিজিএমইএর ভবনে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করে বিজিএমইএর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড।

নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে বিজিএমইএ নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর সাংবাদিকদের জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৫৬ ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ১৪৯২ জন, এর মধ্যে ৯৯ ভোট বাতিল হয়েছে। ভোটের হার ৭৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

নির্বাচনে জয়ী পরিচালকরা হলেন- রুবানা হক, এস এম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এম এ রহিম, কে এম রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, এ কে এম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন- মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, এ এম চৌধুরী, এ এম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন,অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।

দুই বছর মেয়াদী (২০১৯-২১) এই নির্বাচনে পরিচালনা পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদে ৫৩ প্রার্থী অংশ নেন। তবে এর মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ২৬ পদে ভোটগ্রহণ হয়। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৪ প্রার্থী। এর মধ্যে সম্মিলিত পরিষদের ও ফোরামের ২৬, স্বাধীনতা পরিষদের ১৭ এবং একজন স্বতন্ত্র।

বিজিএমইএ নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড জানায়, জয়ী পরিচালকরা ১৮ এপ্রিল ভোটের মাধ্যমে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত করবেন। এর পর ২১ এপ্রিল বিজিএমইএর নির্বাচিত নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে বর্তমান কমিটি।

নির্বাচনে একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল স্বাধীনতা পরিষদের প্যানেল। যার লিডার ছিলেন ডিজাইন অ্যান্ড সোর্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

Source: dailynayadiganta.com  Link to the Original Article

বিজিএমইএ নির্বাচনে পূর্ণ প্যানেলে জয়ী রুবানা হক

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নির্বাচনে পুরো প্যানেলসহ জয়ী হয়েছেন মোহাম্মাদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক নেতৃত্বাধীন পরিষদ-ফোরাম জোট।

বিজিএমইএর নির্বাচনে প্যানেল ভোট পড়েছে ৭৩২টি। এর সব ভোটই পেয়েছে পরিষদ-ফোরাম জোট। অন্যদিকে ২৬ জনের প্যানেলে ১৭ জন প্রার্থী দিয়েছিল স্বাধীনতা পরিষদ। তাই প্যানেল ভোটের একটিও পায়নি স্বাধীনতা পরিষদ। এর মাধ্যমে পুরো প্যানেলসহ জয়ী হলেন পরিষদ-ফোরাম জোটের প্যানেল লিডার রুবানা হক। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি কোনো পক্ষই।

বিজিএমইএর সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে প্যানেল ভোট পেড়েছে ৭৩২টি। আর মিশ্র ভোট পড়েছে ৬৬৫টি। মিশ্র ভোটের মধ্যে পরিষদ-ফোরাম জোট ও স্বাধীনতা পরিষদ উভয়েরই ভোট রয়েছে ।

বিজিএমইএ প্রজেক্টরে প্রতি মুহূর্তে কে কতো ভোট পাচ্ছেন তা দেখানো হচ্ছে। সন্ধ্যা ৭ টা ৩৩ মিনিট পর্যন্ত ৯৪৮টি ভোট গণনা হয়েছে। এর মধ্যে পরিষদ-ফোরাম প্যানেল লিডার রুবানা হক পেয়েছে ৮৫৬টি ভোট ও স্বাধীনতা পরিষদের প্যানেল লিডার মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৩৫৩টি ভোট। প্রায় একই অবস্থা দুই প্যানেলের প্রার্থীদেরও।

এ সময় পর্যন্ত সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন পরিষদ-ফোরাম প্যানেলেরর এম এ রহীম। তার ব্যালট নম্বর সাত। তিনি সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত পেয়েছেন ৮৪০টি ভোট।

বিজিএমইএর নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকা অঞ্চলের ১ হাজার ৫৯৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন।

অন্যদিকে, চট্টগ্রামে ৩৫৮ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২৮৮ জন। সে হিসাবে মোট ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৭৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শেষে দেওয়া হয় ৩০ মিনিটের বিরতি। বিরতি শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হয় গণনা কার্যক্রম।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো বিজিএমইএর এই নির্বাচন। পরিষদ-ফোরাম জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহাম্মাদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। অন্যদিকে স্বাধীনতা পরিষদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিএসএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

ভোটাররা ঢাকা অঞ্চলের ২৬ জন পরিচালক নির্বাচনের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সেক্ষেত্রে একটি ব্যালট পেপারে ৪৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৬টি ভোট দিতে হয়েছে ভোটারদের। আর যিনি ২৬টি ভোট দিতে পারেননি তার ব্যালট পেপার বাতিল হয়ে যাবে বলে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে ।

তবে চট্টগ্রামের পরিচালকদের জন্য ভোট দিতে হয়নি ভোটারদের। পরিষদ-ফোরাম জোটের নয়জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে ৩৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন আজ।

Source: ekushey-tv.com Link to the Original Article

বিজিএমইএ নির্বাচন: রুবানা হকের নেতৃত্বে সম্মিলিত ফোরামের নিরং নিরঙ্কুশ জয়

তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ’র নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে রুবানা হকের নেতৃত্বে সম্মিলিত ফোরাম প্যানেল। সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের ২৬ প্রার্থীর মধ্যে ২৬ জনই বিজয়ী হয়েছেন। শনিবার (৬ এপ্রিল) রাত ৯টার পর ভোটগণনা শেষে বিজিএমইএ’র নির্বাচনি বোর্ডের দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির এই ফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচনের এই ফল উভয় প্যানেলই মেনে নিয়েছে। বিজয়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
নির্বাচিতরা আগামী দুই বছরের জন্য বিজিএমইএ নেতৃত্ব দেবেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে বিজিএমইএ’র পুরনো ভবনে (কারওয়ান বাজার) নুরুল কাদের অডিটোরিয়ামে শনিবার সকাল ৮টা থেকে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হয়। এরপর বিকাল ৫টায় ভোটগণনা শুরু হয়। এই ভোটের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের (২০১৯-২১) জন্য নেতা নির্বাচিত করলেন পোশাক মালিকরা।
বিজিএমইএ’র নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল এক হাজার ৯৫৬ জন। এর মধ্যে ঢাকার এক হাজার ৫৯৭ জন, বাকি ৩৫৯ জন চট্টগ্রামের। পরিচালক পদে বিজয়ীরা পরবর্তীতে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচন করবেন।
দুই বছরমেয়াদি এই নির্বাচনে পরিচালনা পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদে ৪৪ প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। তবে এর মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৯ প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ২৬ পদে ভোটগ্রহণ হয়। এর মধ্যে প্রার্থী সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের ২৬ জন, স্বাধীনতা পরিষদের ১৮ জন। সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। তিনি ঢাকা উত্তর সিটির প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী। অন্যদিকে স্বাধীনতা পরিষদের প্যানেল লিডার ডিজাইন অ্যান্ড সোর্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
সম্মিলিত পরিষদ-ফোরামের প্রার্থীরা হলেন রুবানা হক, এস এম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এম এ রহিম, কে এম রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, এ কে এম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম।
এই যৌথ প্যানেলের চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীরা হলেন মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, এ এম চৌধুরী, এ এম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে বিজিএমইএ’র নেতৃত্ব নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়ার পর প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি প্যানেল সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরাম সমঝোতার মাধ্যমে বর্তমান সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানকে সভাপতি করে একটি পরিচালনা পর্ষদ ঠিক করেছিল। এরপর থেকে আর নির্বাচন না হয়ে তিন ধাপে এ পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ বাড়িয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এরপর সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর। তখন নির্বাচন না হওয়ায় মেয়াদ আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছিল।
গত ৫ জানুয়ারি ২০১৯-২১ সময়ে নির্বাচনের জন্য পরিচালনায় বোর্ড গঠন করা হয়। গত নির্বাচনের মতো এবারও বিটিএমএ’র সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলামিন নির্বাচনি বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। অপর দুই সদস্য হচ্ছেন এমসিসিআইর সভাপতি নিহাদ কবির ও চট্টগ্রামভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এএসএম নাইম।

Source: banglatribune.com Link to the Original Article

বিজিএমইএ নির্বাচন: রুবানা হকের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের জয়

তৈরি পোশাক শিল্পমালিক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হকের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত ফোরাম প্যানেল।

শনিবার রাত ৯টার পর ভোট গণনা শেষে বিজিএমইএ’র নির্বাচনী বোর্ডের দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচনের ফল অংশ নেওয়া সব প্যানেলই মেনে নিয়েছে। বিজয়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও ঘোষণা দিয়েছেন।

শনিবার সকাল ৮ টায় শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় উৎসবমুখর পরিবেশে সদস্যদের ভোট প্রদানের মাধ্যমে বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়। স্বাধীনতা পরিষদের প্যানেল লিডার জাহাঙ্গীর আলমের পোলিং এজেন্ট থাকতে না দেয়া ছাড়া কোন অভিযোগ ছিলো না। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী সম্মিলিত-ফোরামের টীম লিডার রুবানা হকের নির্বাচন নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড।

প্রায় ৫ বছর পর তৈরি পোশাক শিল্পমালিক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচন। সংগঠনটির ৩৫ পরিচালক পদে ঢাকায় ২৬ জন আর চট্টগ্রামে ৯ জন। চট্টগ্রামে সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকায় পরিচালক পদে নির্বাচনে সদস্যরা ভোট দিয়েছেন।

সাবেক ও বর্তমান সভাপতিসহ সদস্যদেরও ভোট দিতে আসার হার ছিলো চোখে পড়ার মতো। নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সম্মিলিত-ফোরাম আর স্বাধীনতা পরিষদ। তাদের কারণেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এটাই বড় বিজয় বলেছেন স্বাধীনতা পরিষদের দলনেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

জয়ের ব্যাপারেও শতভাগ আশাবাদী ছিলেন সম্মিলিত-ফোরামের প্যানেল লিডার রুবানা হক।
নির্বাচনে কোন অনিয়ম হয় নাই নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে মোট ভোটার ১৯শ’ ৫৫ জন। আগামী ১১ এপ্রিল নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে। এরপর ১৮ এপ্রিল অফিস বেয়ারার নির্বাচন এবং ২১ এপ্রিল দায়িত্ব নেবে নতুন কমিটি।

Source: channelionline.com Link to the Original Article

বিজিএমইএ নির্বাচন : রুবানা হকের পূর্ণ প্যানেল জয়ী

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠনের (বিজিএমইএ) নির্বাচনে সম্মিলিত-ফোরাম পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে। প্যানেলটির নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। তিনি প্রয়াত ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আনিসুল হকের সহধর্মিণী।

শনিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারের বিজিএমইএর ভবনে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করে বিজিএমইএর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড।
নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে বিজিএমইএ নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর সাংবাদিকদের জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৫৬ ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ১৪৯২ জন, এর মধ্যে ৯৯ ভোট বাতিল হয়েছে। ভোটের হার ৭৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।


নির্বাচনে জয়ী পরিচালকরা হলেন- রুবানা হক, এস এম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এম এ রহিম, কে এম রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, এ কে এম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন- মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, এ এম চৌধুরী, এ এম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন,অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।

চূড়ান্ত ফলে দেখা গেছে, রুবানা হক ১২৮০ ভোট, আব্দুর রহিম ১২৯৫ ভোট, মো. নাছির উদ্দিন ১২২৮ ভোট, আসিফ ইব্রাহিম ১১২৭ ভোট, আরশাদ জামাল দিপু ১২৬৮ ভোট, কে এম রফিকুল ইসলাম ১২৬৭ ভোট, মশিউল আজম ১২৫৬ ভোট, ইনামুল হক খান ১২৬৩ ভোট, রেদওয়ান সেলিম ১২২৭ ভোট, কামাল উদ্দিন ১২২৪ ভোট, মোহাম্মদ নাছির ১২২৩ ভোট, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা ১২২১ ভোট, শহীদুল হক মুকুল ১২০৭ ভোট, মাসুদ কাদের মনা ১১৮৭ ভোট, ইকবাল হামিদ কোরাইশী ১২০১ ভোট, ফয়সাল সামাদ ১১২৪ ভোট, মুনির হোসাইন ১২১৮ ভোট, এ কে এম বদিউল আলম ১২১৬ ভোট, মিরান আলী ১২৫৭ ভোট, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ১২০৮ ভোট, মোশাররফ হোসেন ঢালী ১১৭৪ ভোট, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী ১১৯৬ ভোট, মহিউদ্দিন রুবেল ১২৩৭ ভোট, এসএম মান্নান কচি ১১৭৩ ভোট, শরীফ জহির ১১৭৩ ভোট এবং নজরুল ইসলাম ১১৪৯ ভোট পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন- মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, এ এম চৌধুরী, এ এম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।

তবে জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বাধীন স্বাধীনতা পরিষদের কেউ জয়ী হয়নি। এই প্যানেলের জাহাঙ্গীর আলম ৪২২ ভোট, সাইফুল ইসলাম ৩০৭ ভোট, দেলোয়ার হোসেন ২৭৫ ভোট, খন্দকার ফরিদুল আকবর ২৬৩ ভোট, হুমায়ুন রশিদ ২৫০ ভোট, কাজী আব্দুস সোবহান ২৪৭ ভোট, শওকত হোসেন ২৪৩ ভোট, শরীফুল আলম ২৩৭ ভোট, মেহয্যাবীন মমতাজ ২৩৩ ভোট, হোসেন সাব্বির মাহমুদ ২২৭ ভোট, আয়েশা আক্তার ২২০ ভোট, মাহমুদ হোসেন ২১৩ ভোট, ওমার নাজিম হেকমত ২১২ ভোট, জাহাঙ্গীর কবির ২১০ ভোট, জাহিদ হাসান ২০৮ ভোট, ওয়ালীউল্যাহ ১৯৯ ভেঅট, জহিরুল ইসলাম ১৯৭ ভোট পেয়েছন।

দুই বছর মেয়াদি (২০১৯-২১) এই নির্বাচনে পরিচালনা পর্ষদের ৩৫টি পরিচালক পদে ৫৩ প্রার্থী অংশ নেন। তবে এর মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ২৬ পদে ভোটগ্রহণ হয়। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৪ প্রার্থী। এর মধ্যে সম্মিলিত পরিষদ-ফোরামের ২৬, স্বাধীনতা পরিষদের ১৭ এবং একজন স্বতন্ত্র।

বিজিএমইএ নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড জানায়, জয়ী পরিচালকরা ১৮ এপ্রিল ভোটের মাধ্যমে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত করবেন। এরপর ২১ এপ্রিল বিজিএমইএর নির্বাচিত নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে বর্তমান কমিটি।

নির্বাচনে একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল স্বাধীনতা পরিষদের প্যানেল। যার লিডার ছিলেন ডিজাইন অ্যান্ড সোর্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

Source: www.jagonews24.com Link to the Original Article

PM opens 6 Power Plants, 9 Grid Stations

She also launched the power supply through submarine cables to Sandwip upazila

As much as 1,062MW of electricity have been added to Bangladesh’s national grid as Prime Minister Sheikh Hasina inaugurated six power plants and nine grid substations.

The premier opened the power plants and grid substations viavideoconference from her official Ganabhaban residence in Dhaka on Wednesday morning.

Atthe same function, Sheikh Hasina also launched the power supply to Sandwip upazila in Chittagong through submarine cable, the first of its kind in Bangladesh, and 100% electrification in 12 upazilas.

The six power plants inaugurated by the prime minister are:Sirajganj 282MW Simple Cycle Power Plant, Bhola 225MW Combined Cycle Power Plant, Chandpur 200MW Power Plant, Ashuganj 150MW Power Plant, Rupsha105MW Power Plantin Khulna andJulda100MW Power Plant (3rd unit)in Chittagong.

The nine grid substations are:Ramganj, Barishal (North), Baroiyerhat, Shikalbaha, Jaldhaka, Sunamganj, Bianibazar, Rangamati and Matarbari.

The 12 upazilas which came under 100%power coverage are:Harinakundu, Thakurgaon Sadar, Baliadangi, Goalanda, Kalukhali, Bamna, Lakhai, Shaistaganj, Ajmiriganj, Bahubal, Melandah and Islampur.

According to officials of the power ministry, a total of 306 upazilas have so far been brought under 100%percent electricity coverage plan.

Of them, 100%percent electrification has been inaugurated in 263 upazilas, andwill be launched in the remaining 43 upazilas by June this year, the officials said.

The prime minister’s Energy Adviser Dr Towfik-e-Elahi Chowdhury and State Minister for Power, Energy and Mineral Resources Nasrul Hamid Bipu spoke at the function.

Power Division Secretary Dr Ahmad Kaikaus gave an overview on the overall development in the power sector, while the prime minister’s Principal Secretary Dr Nojibur Rahman moderated the function.

Dr Kaikaus said as many as 92% people have been brought under electricity coverage, as Bangladesh achieved the capability to produce 20,854MW of electricity.

“Bangladesh has now been turned into a power surplus country from a deficit one, thanks to the inauguration of 100 new power plants over the last 10 years,” he said.

Former ministers and Awami League senior leaders Tofail Ahmed and Mosharraf Hossain, former state minister Mirza Azam, ex-deputy minister Abdullah Islam Al Jakob and parliament members of the concerned areas were present at Ganabhaban.

 

Source: www.dhakatribune.com Link to the Original Article

শোক সংবাদ

আলহাজ্ব মোহাম্মদ শরিফুল হক ১৯২২ সালে নোয়াখালী জেলায় ঘোষবাগ-এ জন্মগ্রহন করেন। ১৯৮২ সালে আনসার ও ভিডিপিতে পরিচালক পদ হতে অবসর গ্রহন করে তিনি বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতীর যুগ্ন সচিব এবং অবসরপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন। নোয়াখালী সমিতির সেক্রেটারী জেনারেল ও আজীবন সদস্য হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

তিনি গত ২৪-০১-২০১৮ ইং তারিখ রোজ বুধবার সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। রোজ শুক্রবার ২৬শে জানুয়ারি বাদ আসর বনানী মসজিদে নামাযে জানাযা এবং বনানী কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে। শনিবার ২৭শে জানুয়ারি বাদ আসর বনানী মসজিদে উনার রুহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা  আপনাদের দো’আ ও উপস্থিতি কামনা করছি।

Our Profound Grief

Our Profound Grief

December 1, 2017

We are deeply grieved to announce that our honourable Chairman and Mayor, Dhaka North City Corporation Mr. Annisul Huq passed away on 30th November 2017 BD time 10.23 pm at Wellington Hospital, London. Innalilliah he o innalilliahe rajiun. May Allah rest our beloved Chairman in eternal peace.He was widely respected for his commitment, principles and amiable manners. In his death the country has lost a very dynamic & dedicated person.

A good heart has stopped beating,
A good soul ascended to heaven,
But the wonderful & sweet memories of
our beloved guardian Mr. Annisul Huq
will remain forever in our hearts.

May Allah forgive and accept his soul
near the throne of whom he seek & loved.